📅

অনলাইন সংস্করণ • ধর্মনগর, ত্রিপুরা

২৫ খবর • ৩২,৯৫৫ পঠন

সাপ্তাহিক সংবাদপত্র

প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ • ধর্মনগর, ত্রিপুরা

কাকাই

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সংবাদ

← বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ব্রেকিং

হাইলাকান্দিতে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজ সম্মেলন, তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষিত

আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে হাইলাকান্দিতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের সমাজ সম্মেলন। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, কাছাড় উপত্যকা ও ত্রিপুরা থেকে আসবেন প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি।

সমাজ সম্মেলনের প্যান্ডেলে বসে থাকা প্রতিনিধিরা
ছবি: সমাজ সম্মেলনের প্যান্ডেলে বসে থাকা প্রতিনিধিরা

আসামের হাইলাকান্দি শহরে আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজ সম্মেলন। আয়োজক কমিটির সভাপতি প্রকাশ কুমার সিংহ জানান, এবারের সম্মেলন তিন দিন ধরে চলবে এবং এর মূল প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে “শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নতুন প্রজন্ম”। শহরের প্রান্তে স্থায়ী মঞ্চসহ বিশাল প্যান্ডেল তৈরির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৃণালিনী দেব বলেন, সম্মেলনে কাছাড় উপত্যকার তিন জেলা ছাড়াও ত্রিপুরার উদয়পুর, কৈলাশহর ও আগরতলা থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিটি অঞ্চল থেকে আসা প্রতিনিধি দলে কমপক্ষে একজন তরুণ ও একজন নারী সদস্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সম্মেলনের সিদ্ধান্তে সব প্রজন্মের মত প্রতিফলিত হয়।

কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে থাকবে প্রতিনিধি সমাবেশ ও বিষয়ভিত্তিক কমিটির বৈঠক। দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকে চলবে সেমিনার — মাতৃভাষায় শিক্ষা, গ্রামীণ উদ্যোগ ও তাঁতশিল্পের সম্ভাবনা এবং তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান এই তিনটি পর্বে আলোচনা হবে। সন্ধ্যায় মঞ্চে সাধারণ ও নাটসংকীর্তনের আসর বসবে, যেখানে শিলচর ও আগরতলার শিল্পীদল অংশ নেবে।

তৃতীয় দিনের আকর্ষণ হবে সমাজভোজ ও মিলনমেলা। আয়োজকদের ভাষ্যে, গত বছরের চেয়ে এবার স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে — স্থানীয় যুব সমাজের পক্ষ থেকে দুই শতাধিক তরুণ-তরুণী ইতিমধ্যে নাম লিখিয়েছেন। সম্মেলন উপলক্ষে শহরের প্রবেশপথে তোরণ দেওয়া হচ্ছে, আর বিভিন্ন পাড়ায় সাজছে রঙিন বাতি।

সম্মেলনের দুই পক্ষের আলোচনায় যুক্ত হবেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মীরা। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, সম্মেলন শেষে একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে, যাতে আগামী দুই বছরের সামাজিক কর্মসূচির রূপরেখা থাকবে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিরাপত্তা ও পরিবহনের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন কমিটির কর্মবাহক সদস্যরা।